কুড়িগ্রামে আবারও হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।
কনকনে ঠান্ডা
মাঘের শুরুতেই শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত লালমনিরহাটসহ উত্তরের বিভিন্ন জেলার মানুষের জীবন। বৃষ্টির মত পড়ছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার পাশাপাশি হিমেল হাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ বিপদে পড়েছে।
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে পাহাড়ি হিমেল বাতাস আর কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত। হাড় কাঁপানো কনকনে ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। জানুয়ারির দ্বিতীয় দিনেও বৈরী এই আবহাওয়া সীমাহীন জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
টানা নয় দিন ধরে চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে বেড়েছে কুয়াশার দাপট। হিমেল বাতাস আর শীতে কাবু হয়ে পড়েছে মানুষ। কনকনে এই ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। ভোর থেকেই ঘনকুয়াশায় ঢাকা পড়ছে পুরো এলাকা।
হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় কাঁপছে উত্তরের জেলা লালমনিরহাটের মানুষ। গত কয়েকদিনের কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এই ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
মাঘ মাস আসার পর থেকেই উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা থাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি গত ১১ দিনেও। এতে দিনের বেলায় যানবাহনের হেডলাইন জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সড়ক-মহাসড়কে। প্রয়োজন ছাড়া ঘর ছাড়ছেন না অনেকেই।
গত দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা পাচ্ছে না ঠাকুরগাঁওবাসীর। চলছে শৈতপ্রবাহ। হিমালয়ের পাদদেশ হওয়ায় প্রতিবছর এ জেলায় শীতের প্রকোপ অন্য জেলার চেয়ে বেশী। এর সাথে শুরু হয়েছে পৌষের হিমেল বাতাস, কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীত। চরমে উঠেছে জনদুর্ভোগ। প্রতি বছরের মত এবারও শিরশিরে ঠান্ডায় নাকাল প্রাণীকুল।